Prev | Up | Next

তৃতীয় খণ্ড - দ্বিতীয় অধ্যায়: ভাব, সমাধি ও দর্শন সম্বন্ধে কয়েকটি কথা

স্বামী বিবেকানন্দ প্রভৃতি ভক্তগণের ঠাকুরকে ঐ বিষয়ে অনুরোধ ও ঠাকুরের উত্তর

পণ্ডিতজী নিরুত্তর হইলেন; কিন্তু স্বামী বিবেকানন্দ-প্রমুখ ভক্তেরা নিশ্চেষ্ট রহিলেন না। পণ্ডিতজী চলিয়া যাইবার পরেই ঠাকুরকে ঐরূপ করিবার জন্য একেবারে বিশেষভাবে ধরিয়া বসিলেন। বলিলেন, "আপনাকে অসুখ সারাতেই হবে, আমাদের জন্য সারাতে হবে।"

ঠাকুর - আমার কি ইচ্ছা রে যে, আমি রোগে ভুগি; আমি তো মনে করি সারুক, কিন্তু সারে কই? সারা, না সারা, মা-র হাত।

স্বামী বিবেকানন্দ - তবে মাকে বলুন সারিয়ে দিতে, তিনি আপনার কথা শুনবেনই শুনবেন।

ঠাকুর - তোরা তো বলছিস, কিন্তু ও কথা যে মুখ দিয়ে বেরোয় না রে!

শ্রীযুত স্বামীজী - তা হবে না মশাই, আপনাকে বলতেই হবে। আমাদের জন্য বলতে হবে।

ঠাকুর - আচ্ছা, দেখি, পারি তো বলব।

কয়েক ঘণ্টা পরে শ্রীযুক্ত স্বামীজী পুনরায় ঠাকুরের নিকট আসিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, "মশায়, বলেছিলেন? মা কি বললেন?"

ঠাকুর - মাকে বললুম (গলার ক্ষত দেখাইয়া), 'এইটের দরুন কিছু খেতে পারি না; যাতে দুটি খেতে পারি করে দে।' তা মা বললেন - তোদের সকলকে দেখিয়ে - 'কেন? এই যে এত মুখে খাচ্চিস!' আমি আর লজ্জায় কথাটি কইতে পারলুম না।

Prev | Up | Next


Go to top