চতুর্থ খণ্ড - চতুর্থ অধ্যায়: গুরুভাব-সম্বন্ধে শেষ কথা
ঐরূপ দীক্ষায় কালাকাল-বিচারের আবশ্যকতা নাই
পুরশ্চরণোল্লাস তন্ত্র বলেন, ঐ প্রকার দীক্ষায় শাস্ত্রনির্দিষ্ট কালাকাল বিচারেরও আবশ্যকতা নাই। যথা -
দীক্ষায়াং চঞ্চলাপাঙ্গি ন কালনিয়মঃ ক্বচিৎ।
সদ্গুরোর্দর্শনাদেব সূর্যপর্বে চ সর্বদা॥
শিষ্যমাহূয় গুরুণা কৃপয়া যদি দীয়তে।
তত্র লগ্নাদিকং কিঞ্চিৎ ন বিচার্যং কদাচন॥
অর্থাৎ - হে চঞ্চলনয়নি পার্বতি, বীর ও দিব্যভাবাপন্ন গুরুর নিকট হইতে দীক্ষাগ্রহণে কালবিচারের কোন আবশ্যকতা নাই। উত্তরায়ণকালে সদ্গুরুর দর্শনলাভ হইলে এবং তিনি কৃপা করিয়া শিষ্যকে দীক্ষা দিতে আহ্বান করিলে লগ্নাদিবিচার না করিয়াই উহা লইবে।